২০১৫ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার প্রস্তুতি
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
প্রকাশ কুমার দাস | আপডেট: ০০:২২, মে ০১, ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ
০Like
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর: অধ্যায়-৩
প্রিয় শিক্ষার্থী, আজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অধ্যায়-৩ থেকে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর দেওয়া হলো।
প্রশ্ন: অনলাইন পরিচয়ে নিরাপত্তা রক্ষার্থে কী পদক্ষেপসমূহ নেওয়া যেতে পারে?উত্তর: অনলাইন পরিচয়ে নিরাপত্তা রক্ষার্থে নিচের পদক্ষেপসমূহ নেওয়া যেতে পারে:১. পরিচয় প্রদানের সময় ব্যক্তিগত তথ্যাদি, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা প্রভৃতি বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রাইভেসি বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।২. অনলাইন পরিচয়ে যার সঙ্গে পরিচিত হব, তার ব্যাপারে একটু যাচাই করে নিতে হবে। একেবারে অপরিচিত এবং ছদ্ম পরিচয়ধারী কাউকে বিশ্বাস না করাই ভালো।৩. যখন নিজের কোনো ই-মেইল অ্যাকাউন্ট বা সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহার করব, তখন অন্যের সঙ্গে পরিচয়ে সতর্ক হব।৪. যেভাবেই এ পরিচয় প্রকাশ পাক না কেন, একজন ব্যবহারকারীকে তার পরিচয় সংরক্ষণে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে।৫. যদি প্রকৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা না যায়, তবে তাকে সন্দেহভাজন তালিকায় রাখাটাই শ্রেয়।
প্রশ্ন: তথ্য অধিকার এবং আইনে কোন বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হওয়া এবং কেন?
উত্তর: তথ্য অধিকার এবং আইনে যে বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হলো:
১. কর্তৃপক্ষের গঠন, কাঠামো এবং দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডসংক্রান্ত যেকোনো স্মারক।
২. বই, নকশা, মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য উপাত্ত, লগবই, আদেশপত্র।
৩. বিজ্ঞপ্তি ও প্রতিবেদন।
৪. দলিল, নমুনাপত্র।
৫. হিসাব বিবরণী।
৬. প্রকল্প প্রস্তাব।
৭. আলোকচিত্র ও অঙ্কিতচিত্র।
৮. অডিও, ভিডিও ও ফিল্ম।
৯. ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত যেকোনো যন্ত্রাংশ।
১০. যান্ত্রিকভাবে পাঠকৃত দলিলাদি এবং ভৌতিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য নির্বিশেষে অন্য যেকোনো তথ্যবহ বস্তু বা এদের প্রতিলিপি।
ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন তথ্য সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এসব তথ্য জানা জনগণের অধিকার। তথ্য অধিকার আইনে যে তথ্যগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে না জানলে জনগণ তাদের দায়িত্ব, রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি, সরকারি কর্মকাণ্ড, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবে না। এসব আইন না মানলে যে কেউ শাস্তি পেতে বাধ্য থাকে। বিশ্বের দেশে দেশে এ আইনের আওতায় প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান তাদের তথ্যসমূহ প্রকাশ করতে বাধ্য থাকে। তথ্য অধিকার আইনে তথ্য প্রাপ্তিকে ব্যক্তির চিন্তা, বিবেক এবং বাকস্বাধীনতার পূর্বশর্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মাস্টার ট্রেইনার, প্রভাষক
মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
২০১৫ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার প্রস্তুতি
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
প্রকাশ কুমার দাস | আপডেট: ০০:২২, মে ০১, ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ
০Like
প্রিয় শিক্ষার্থী, আজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অধ্যায়-৩ থেকে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর দেওয়া হলো।
প্রশ্ন: অনলাইন পরিচয়ে নিরাপত্তা রক্ষার্থে কী পদক্ষেপসমূহ নেওয়া যেতে পারে?উত্তর: অনলাইন পরিচয়ে নিরাপত্তা রক্ষার্থে নিচের পদক্ষেপসমূহ নেওয়া যেতে পারে:১. পরিচয় প্রদানের সময় ব্যক্তিগত তথ্যাদি, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা প্রভৃতি বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রাইভেসি বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।২. অনলাইন পরিচয়ে যার সঙ্গে পরিচিত হব, তার ব্যাপারে একটু যাচাই করে নিতে হবে। একেবারে অপরিচিত এবং ছদ্ম পরিচয়ধারী কাউকে বিশ্বাস না করাই ভালো।৩. যখন নিজের কোনো ই-মেইল অ্যাকাউন্ট বা সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহার করব, তখন অন্যের সঙ্গে পরিচয়ে সতর্ক হব।৪. যেভাবেই এ পরিচয় প্রকাশ পাক না কেন, একজন ব্যবহারকারীকে তার পরিচয় সংরক্ষণে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে।৫. যদি প্রকৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা না যায়, তবে তাকে সন্দেহভাজন তালিকায় রাখাটাই শ্রেয়।
প্রশ্ন: তথ্য অধিকার এবং আইনে কোন বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হওয়া এবং কেন?
উত্তর: তথ্য অধিকার এবং আইনে যে বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হলো:
১. কর্তৃপক্ষের গঠন, কাঠামো এবং দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডসংক্রান্ত যেকোনো স্মারক।
২. বই, নকশা, মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য উপাত্ত, লগবই, আদেশপত্র।
৩. বিজ্ঞপ্তি ও প্রতিবেদন।
৪. দলিল, নমুনাপত্র।
৫. হিসাব বিবরণী।
৬. প্রকল্প প্রস্তাব।
৭. আলোকচিত্র ও অঙ্কিতচিত্র।
৮. অডিও, ভিডিও ও ফিল্ম।
৯. ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত যেকোনো যন্ত্রাংশ।
১০. যান্ত্রিকভাবে পাঠকৃত দলিলাদি এবং ভৌতিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য নির্বিশেষে অন্য যেকোনো তথ্যবহ বস্তু বা এদের প্রতিলিপি।
ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন তথ্য সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এসব তথ্য জানা জনগণের অধিকার। তথ্য অধিকার আইনে যে তথ্যগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে না জানলে জনগণ তাদের দায়িত্ব, রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি, সরকারি কর্মকাণ্ড, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবে না। এসব আইন না মানলে যে কেউ শাস্তি পেতে বাধ্য থাকে। বিশ্বের দেশে দেশে এ আইনের আওতায় প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান তাদের তথ্যসমূহ প্রকাশ করতে বাধ্য থাকে। তথ্য অধিকার আইনে তথ্য প্রাপ্তিকে ব্যক্তির চিন্তা, বিবেক এবং বাকস্বাধীনতার পূর্বশর্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মাস্টার ট্রেইনার, প্রভাষক
উত্তর: তথ্য অধিকার এবং আইনে যে বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হলো:
১. কর্তৃপক্ষের গঠন, কাঠামো এবং দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডসংক্রান্ত যেকোনো স্মারক।
২. বই, নকশা, মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য উপাত্ত, লগবই, আদেশপত্র।
৩. বিজ্ঞপ্তি ও প্রতিবেদন।
৪. দলিল, নমুনাপত্র।
৫. হিসাব বিবরণী।
৬. প্রকল্প প্রস্তাব।
৭. আলোকচিত্র ও অঙ্কিতচিত্র।
৮. অডিও, ভিডিও ও ফিল্ম।
৯. ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত যেকোনো যন্ত্রাংশ।
১০. যান্ত্রিকভাবে পাঠকৃত দলিলাদি এবং ভৌতিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য নির্বিশেষে অন্য যেকোনো তথ্যবহ বস্তু বা এদের প্রতিলিপি।
ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন তথ্য সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এসব তথ্য জানা জনগণের অধিকার। তথ্য অধিকার আইনে যে তথ্যগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে না জানলে জনগণ তাদের দায়িত্ব, রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি, সরকারি কর্মকাণ্ড, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবে না। এসব আইন না মানলে যে কেউ শাস্তি পেতে বাধ্য থাকে। বিশ্বের দেশে দেশে এ আইনের আওতায় প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান তাদের তথ্যসমূহ প্রকাশ করতে বাধ্য থাকে। তথ্য অধিকার আইনে তথ্য প্রাপ্তিকে ব্যক্তির চিন্তা, বিবেক এবং বাকস্বাধীনতার পূর্বশর্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মাস্টার ট্রেইনার, প্রভাষক
মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা